বিয়ের শানাই বাজল সাইফ-কারিনার

সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে আজ ১৬ অক্টোবর বুধবার বিয়ে করলেন বলিউডের বহুল আলোচিত তারকা-যুগল সাইফ আলী খান ও কারিনা কাপুর।

এ প্রসঙ্গে বিয়ে নিবন্ধক সুরেখা রমেশের উদ্ধৃতি দিয়ে এনডিটিভি জানিয়েছে, আজ দুপুরের পর বান্দ্রায় অবস্থিত সাইফের ফরচুন হাইটস অ্যাপার্টমেন্টে তিন জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে সাইফ-কারিনার বিয়ের নিবন্ধন করা হয়েছে। সাক্ষী হিসেবে ছিলেন সাইফের মা শর্মিলা ঠাকুর, কারিনার বাবা রণধীর কাপুর ও মা ববিতা। গত ১২ সেপ্টেম্বর বিয়ে নিবন্ধনের আবেদন করেছিলেন তাঁরা। নিছক আনুষ্ঠানিকতা রক্ষা করার জন্য এক হাজার ভারতীয় রুপি ফি হিসেবে দিতে হয়েছে তাঁদের।

আজ সন্ধ্যায় মুম্বাইয়ের তাজমহল প্যালেস হোটেলে সাইফ ও কারিনার বিয়ের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হবে। বিয়ে উপলক্ষে কাল বুধবার হরিয়ানায় পতৌদি প্রাসাদে আয়োজিত হবে বিশেষ ভোজ। ১৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে অনুষ্ঠিত হবে সাইফ-কারিনার বিবাহোত্তর সংবর্ধনা।

সাইফ-কারিনার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়েছে ১৪ অক্টোবর রোববার। ওই দিন ভারতীয় বিয়ের রীতি অনুযায়ী মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় কনে কারিনা কাপুরের বাড়িতে সম্পন্ন হয় ‘সংগীত’ অনুষ্ঠান। সাইফ-কারিনার পরিবারের সদস্য ও কাছের কয়েকজন বন্ধু-সহকর্মীর উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান হয়। গতকাল সোমবার তাজমহল প্যালেস হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়েছে সাইফ-কারিনার ‘মেহেদি’ অনুষ্ঠান।


প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে প্রতিবাদলিপি

অদ্য ১৬ অক্টোবর, ২০১২ তারিখে দৈনিক প্রথম আলো পত্রিকায় “উপাচার্যের গাড়ি বিলাস, অর্থকান্ড” শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির প্রতিবাদ জানিয়ে এক প্রতিবাদলিপি তৈরি করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, প্রথম আলো পত্রিকায় উক্ত প্রতিবেদনে জনৈক প্রতিবেদক বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রমের উপর উপাচার্য মহোদয়ের সাক্ষাৎকার গ্রহণ করার নামে এধরনের একটি গুরুত্বহীন, অসত্য ও নেতিবাচক সংবাদ পত্রিকার প্রথম পাতায় ফলাও করে প্রকাশ করে হলুদ সাংবাদিকতার বহি:প্রকাশ ঘটিয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন কার্যক্রম, আর্থিক বিষয় ও উপাচার্য মহোদয়ের গাড়ি ব্যবহার সম্পর্কে যে-সকল অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত। এধরনের সংবাদ প্রকাশ একটি কুচক্রী মহলের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা মাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ৫১ কোটি টাকার তহবিল ব্যবস্থাপনার বিষয়ে প্রকাশিত খবরটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট বলে দাবী করেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয় গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব আয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে উল্লেখিত টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে এফডিআর করা হয়েছে।

এছাড়া প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, বর্তমান উপাচার্য মহোদয় ২০০৯ সালের ফেব্র“য়ারীতে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগদানের পর সাবেক উপাচার্য মহোদয়ের গাড়িটি (প্রাইভেটকার) ব্যবহার করে আসছিলেন। কিন্তু গাড়িটি দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে প্রায়ই অকেজো থাকার কারণে উপাচার্য মহোদয়ের যাতায়াত সমস্যার কথা বিবেচনা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ কমিটি ও সিন্ডিকেটের অনুমোদন সাপেক্ষে একটি পাজেরো জীপ ক্রয় করা হয়েছে। পরবর্তীতে ট্রেজারার মহোদয়ের যোগদানের পর শিক্ষকদের পরিবহন সমস্যার কারণে তাঁর ব্যবহৃত মাইক্রোবাসটি শিক্ষকদের ব্যবহারের জন্য দেয়া হয় এবং উন্নয়ন বাজেটে বাধ্যবাধকতার কারণে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ প্রাইভেট লিমিটেড থেকে ক্রয় করা হয়েছে।

প্রথম আলোর প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, “জনাব জাহিদ আলম উপাচার্যের একান্ত সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর শিক্ষকদের জন্য বরাদ্দ একটি মাইক্রোবাস সার্বক্ষণিক ভাবে ব্যবহার করা শুরু করেন।” কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দাবী করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীর ন্যায় তিনিও প্রতিনিয়ত বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে যাতায়াত করেন। তাছাড়া ঈদের ছুটির সময় যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন সাপেক্ষেই তিনি মাইক্রোবাসটি ব্যবহার করেছেন বলে জানায় কর্তৃপক্ষ।

প্রতিবাদলিপিতে আরও বলা হয়, প্রথম বর্ষ (সম্মান) শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষার টাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মানুসারে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আলোকে ব্যয় করা হয়। ভর্তি সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করা জন্য দায়িত্ব প্রাপ্ত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বন্ধের দিনসহ অতিরিক্ত সময় কাজ করতে হয়। এরূপ অতিরিক্ত সময় কাজের জন্য দেশের অন্যান্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের ন্যায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়েও একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার মাধ্যমে সম্মানি প্রদান করা হয়ে থাকে। অব্যয়িত সমস্ত অর্থ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তহবিলে স্থানান্তর করা হয়। যেখানে অনিয়মের কোন সুযোগ নেই।

বিশ্ববিদ্যালয় সুত্রে জানা যায়, ১৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় ‘দৈনিক প্রথমআলো’ পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়েছে।

প্রতিবাদলিপিতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও দাবী করে, দৈনিক প্রথম আলো’র মতো বহুল প্রচারিত একটি পত্রিকায় বিশেষ কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহলের অসৎ উদ্দেশ্য চরিতার্থ করার জন্য এধরনের ভিত্তিহীন, মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ পরিবেশন তথাকথিত হলুদ সাংবাদিকতাকেই প্রশ্রয় দেয়ার সামিল। পত্রিকায় প্রকাশিত এ ধরণের অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মুখ চলার পথকে কেবল বাধাগ্রস্থই করছে না, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সামাজিক মান-মর্যাদাও ক্ষুন্ন করছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এধরণের অসত্য, বিভ্রান্তিকর এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ করছে।

প্রতিবাদলিপি এবং একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সিদ্ধান্তের যথার্থতা যাচাইয়ে বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, প্রথম আলো পত্রিকায় প্রকাশিত খবরটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। আজ  অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের এক সভায় উক্ত প্রতিবেদনের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন সভার সদস্যরা।

এদিকে, প্রথম আলো পত্রিকায় “উপাচার্যের গাড়ি বিলাস, অর্থকান্ড” শীর্ষক শিরোনামে প্রকাশিত সংবাদটির উপর ভিত্তি করে আজ বেলা ১১ টায় থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ‌ক্যাম্পাসে এক বিক্ষোব মিছিল করে শিক্ষার্থীরা।





জবি উপাচার্যের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোব

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি অধ্যাপক ড. মেসবাহউদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে আর্থিক ব্যয়ের ক্ষেত্রে অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতার  প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
মঙ্গলবার বেলা ১১ টায় থেকে ভাস্কর্যের সামনে থেকে  এ বিক্ষোভ মিছিল বের করে। এই কর্মসূচীতে সাধারণ শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সংহতি প্রকাশ করে। মিছিলটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ  শেষে ভাস্কর্য চত্তরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।
বিক্ষোভকারীরা দাবি করেন, উপাচার্য ও পুরো জবি প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার টাকা বন্টনসহ বিভিন্ন খাতের অর্থ ব্যয়ে অনিয়ম ও সেচ্ছাচারিতা পদর্শন করে আসছেন।
সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ছাত্রলীগ সভাপতি এফ এম শরিফুল ইসলামসহ জবি সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট জবি শাখার সভাপতি শরীফুল চৌধুরী, সাধারণ সম্পদক মাসুদ রানা, ছাত্র ইউনিয়নের সভাপতি ফারুক আহমেদ আবির,  ছাত্র ফেডারেশনের সংগঠক তাহমিদা ইসলাম, ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি আল-আমিন প্রমূখ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দরা ইউজিসির কাছে ভিসির দুর্নীতির তদন্ত দাবী করেন।  সুষ্ঠ তদন্ত না হলে ঈদের পর সাধারণ শিক্ষার্থীদেরকে নিয়ে বৃহত্তর আনন্দোলনের ঘোষণা দেন তারা। একই সাথে ছাত্রীদের হল নির্মাণ করার দাবী জানান নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে নেতৃবৃন্দ আরও দাবি করেন, উপাচার্য ভর্তি পরীক্ষা বাবদ আয় করা টাকা ব্যয়ে অনিয়ম করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে সরকারের বরাদ্দ করা ১০০ কোটি টাকা ছাত্রসংশ্লিস্ট কাজে ব্যয়ের কোন নজির দেখাতে পারে নি।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, ছাত্রী হল নির্মানের আশ্বাস দিয়ে উপাচার্য বিভিন্ন অনিয়ম করে যাচ্ছেন। আমরা কার কাছে অধিকার আমাদের সংরক্ষনের দাবী জানাব?

122nd death anniversary of Lalon

Commemoration at the bard's den

A five-day programme has been chalked out on the occasion of the 122nd death anniversary of mystic bard Lalon at the Chheuria Lalon Akhra in Kushtia. The programme begins today.
Lalon Academy is holding the programme in association with the Ministry of Cultural Affairs. Kushtia district administration is supervising the event.
The programme includes a monthlong 'Lalon Mela', discussion and rendition of songs by artistes of Lalon Academy and bauls from across the country.
Mahbubul Alam Hanif, joint general secretary of Bangladesh Awami
League and also special assistant to the Prime Minister, will inaugurate the programme as chief guest.
Other guests at the programme include State Minister for Social
Welfare, Advocate Promod Mankin; State Minister for Housing and Public Works, Advocate Abdul Mannan; and director general of Bangladesh
Shilpakala Academy, Liaquat Ali Lucky.
Professor Abul Ahsan Choudhury; Professor Sarwar Murshed Ratan of Bangla Department, Islamic University and several others will be chief discussants. Banamali Bhoumik, Deputy Commissioner of Kushtia and also convener of Lalon Academy, will preside over the programme.
A Lalon mural will be unveiled at the event.
The DC of Kushtia said that this is the first time that bauls are being offered meals 10 days before the start of the programme and this will continue till Sunday. Free medical treatment for the bauls has also been arranged.
“We are hopeful that the programme will be held in a peaceful atmosphere,” said Banamali Bhoumik. Banglalink is the sponsor of the programme. Bauls from different areas have already assembled at the Akhra.

মনে হচ্ছে যুবরাজ পাঁচ দিনের জন্যও তৈরি

লেখক:
বিবার বিকেলে যুবরাজের সেঞ্চুরির খবরটা পেয়ে বেশ স্বস্তি পেলাম। যাক, ভারতীয় টেস্ট দলের ছ’নম্বর ব্যাটসম্যানের জায়গা নিয়ে সমস্যাটা মনে হয় মিটতে চলেছে।
হায়দরাবাদে ম্যাচের ফলের চেয়ে এখন যুবরাজের পারফরম্যান্স অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। যুবির ব্যাটিং পরিষ্কার বুঝিয়ে দিল, এত দিন ওকে নিয়ে যে দুশ্চিন্তা করছিলাম, তা ঠিক নয়। টি-টোয়েন্টিতে ও ভাল খেললেও আমাদের চিন্তা ছিল টেস্টে আদৌ ভাল খেলতে পারবে কি না। আসলে সদ্য ক্যানসারকে হারিয়ে ওঠা একটা ছেলে সারা দিন মাঠে দাঁড়িয়ে থাকতে পারবে কি না, এটা নিয়েই অনেকের সন্দেহ ছিল। যুবি আজ সব জল্পনায় দাঁড়ি টেনে দিল।
শুনলাম, তিন ঘন্টারও বেশি ক্রিজে ছিল যুবি। এতক্ষণ মাঠে থাকতে পারাটাই ওর চ্যালেঞ্জ ছিল।
দলীপে যুবরাজ
তার উপর এ রকম আক্রমণাত্মক ব্যাটিং। ১৫২ বলে অপরাজিত ১৩৩ রানের ইনিংসে ২০টা বাউন্ডারি ও দু’টো ওভার বাউন্ডারি মেরেছে ও। স্ট্রাইক রেট ৮৭.৫০। এর পর আর ওর ফিটনেস নিয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে না। জাতীয় নির্বাচকরা বরং যুবরাজকে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট দলে রাখা নিয়ে ভাবনা-চিন্তা শুরু করুন। পাঁচ-ছয় নম্বরে ব্যাট করিয়ে সুরেশ রায়নাকে দিয়ে লাভ হয়নি। এই জায়গায় যুবরাজকে দিয়েই বেশি কাজ হতে পারে। ওর মতো আক্রমণাত্মক ব্যাটসম্যানকে সমীহ করে বিপক্ষ বোলাররা। যেটা দরকার। রায়না যেটা আদায় করতে পারছে না। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন নম্বরে আসুক পূজারা, চারে সচিন, পাঁচে কোহলি, ছয়ে যুবরাজ।
যুবি-টোটকা/২
ডা. সুবীর গঙ্গোপাধ্যায় (ক্যানসার বিশেষজ্ঞ)
এই মুহূর্তে যুবরাজ সিংহের শারীরিক কন্ডিশন যে রকম আছে বলে মনে হচ্ছে, তাতে ও টেস্ট খেলার ধকল নিতে পারবে। ওর ক্যানসারটা যে ধরনের ছিল, তাতে একবার ঠিক হয়ে গেলে ফিটনেস ফিরে পাওয়াটা সমস্যা নয়। যুবরাজের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারত ক্যানসারজনিত কষ্ট এবং কেমোথেরাপি সংক্রান্ত শারীরিক-মানসিক যন্ত্রণা। এই সমস্যাগুলো তো যুবরাজ আগেই কাটিয়ে উঠেছে। এ বার রুটিন মেনে চললে ফিটনেস ধরে রাখতেই পারবে। সে দিক দিয়ে পাঁচ দিনের ধকল নেওয়াটা ওর কাছে সমস্যার হবে না।
লড়ছেন যাঁরা
শান্ত মিত্র (প্রাক্তন ফুটবলার)
নিঃসন্দেহে, যুবরাজ আমার অনুপ্রেরণা। যুবরাজের এই লড়াই দেখার পর থেকে রোজ ভাবি, কাল থেকে আমার সকালটাও বদলে যাবে। আবার আগের মতো ছুটে বেড়াতে পারব। যে কারণে ওয়াকার নিয়ে এসে নিজেকে ফিট করার চেষ্টা করছি। বাড়িতেই যোগব্যায়ামের বিশেষ ক্লাস করছি। যুবরাজের মনের জোর দেখে আমি উদ্দীপ্ত।
রেখা দাস (গৃহবধু)
যুবরাজকে দেখে আমি হার না মানতে শিখেছি। শিখেছি, ক্যানসার মানেই নো অ্যানসার নয়। ওকে দেখে বুঝেছি মন খারাপ করে কোনও লাভ নেই। নিজেই এখন সব কাজ করছি। এমনকী ১৩ ডিসেম্বর মেয়ের বিয়ে। বিয়ের যাবতীয় কাজ আমিই করছি। ভুলে গিয়েছি আমার কেমোথেরাপি চলছে।
নমিতা দত্ত (প্রধান শিক্ষিকা)
যুবরাজের এই লড়াইটা আমাকে অনুপ্রাণিত করে। মনে জোর ফিরে পাই। সব সময় ভাবি ও যদি পারে, তা হলে আমি পারব না কেন? স্কুলে পড়ানোর মধ্যে দিয়েই আমি আমার লড়াই চালাচ্ছি।
এটাই আদর্শ ব্যাটিং অর্ডার। বোলিংয়েও ধোনিকে সাহায্য করতে পারবে যুবরাজ। ভারতের ঘূর্ণি পিচে ওর স্পিন কাজে দেবে। তবে যুবি ভাল বোলিং করলে সেটা ধোনিদের কাছে বোনাস। ব্যাটিংটাই আসল।
একটা ব্যাপারে শুধু খটকা আছে। যুবরাজের ‘রিকভারি পিরিয়ড’। মানে, একটা বড় ইনিংস খেলে বা একটা গোটা দিন মাঠে থেকে পরের দিনের জন্য ও নিজেকে ফের কতটা তৈরি করে নিতে পারছে। তবে যুবরাজ নিজেই এটা সবচেয়ে ভাল বুঝবে। সোমবার যখন ফের ব্যাট করতে নামবে, বা গায়ে-গায়েই ফাইনাল খেলবে, তখন আমরাও কিছুটা ধারণা পাব। তবে সব হার্ডলই যখন ও অনায়াসে পেরিয়ে আসতে পারল, তখন এটাই বা পারবে না কেন?